OrdinaryITPostAd

কাঁচা ডিমের কুসুম খেলে কি হয়? আসুন জেনে নিই

কাঁচা ডিমের কুসুম খেলে কি হয়? আসুন জেনে নিই  

২৬ শে ফেব্রুয়ারী সোমবার ২০২৪



        ছবি সংগ্রহীত 

 

অনেকেই  শরীরকে মজবুত করতে সকালে খালি পেটে কাঁচা ডিমের কুসুম খেয়ে থাকেন। বিশেষ করে বডি বিল্ডারদের তো কাঁচা ডিম বেশ পছন্দের খাবার। যদিও  এইভাবে কাঁচা কুসুম কাওয়া কি আদৌ স্বাস্থ্যকর কি না তা সঠিক ভাবে অনেকের অযানা। 

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, এইভাবে ডিম খেলে শরীরের কোনও ক্ষতি তো হয়ই না, উল্টে অনেক উপকার পাওয়া যায়। তাই তো সুস্থ শরীর, খুশি মন এবং আনন্দময় জীবন পেতে কাঁচা কুসুম খাওয়া শুরু করতেই পারেন। অনেক মায়েরা আছেন যারা ছোট শিশুদের কে হালকা গরম দুধের সাথে কাঁচা ডিম এর কুসুম মিশিয়ে খায়িয়ে থাকেন। এটি ছোট শিশুদের জন্য অনেক উপকারী একটি খাবার।


চিকিৎসা বিজ্ঞান বলে, ডিমের কুসুম নানাভাবে শরীরের উপকারে লাগে। পেশির গঠনকে মজবুত করার পাশাপাশি এনার্জির ঘাটতি দূর করতে এবং শরীরকে সার্বিকভাবে রোগ মুক্ত রাখতে ডিমের কুসুমের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে।

কাঁচা ডিমের কুসুম থেকে সাধারণত যে যে উপকারগুলো পাওয়া যায়। সেগুলো আলোচনা করা হল—


কোলেস্টেরলের যোগান বাড়ায়:

 
শরীরকে সচল রাখতে ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়াটা একান্ত প্রয়োজন।যা রয়েছে ডিমের কুসুম এর মধ্যে।খুব সহজ! প্রতিদিন ডিমের কুসুম খেলেই দেখবেন ধীরে ধীরে শরীরের কর্মক্ষমতা বাড়তে শুরু করবে। তখনই বুঝবেন উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে আপনার শরীরে।  

ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে সমৃদ্ধ:

 
শরীরে এই ভিটামিনগুলোর মাত্রা যত বাড়বে, তত দেহে পুষ্টির অভাব দূর হবে। সেই সঙ্গে নানাবিধ রোগের প্রকোপও কমবে।এখানেই শেষ নয়, সম্প্রতি একটি গবেষণা পত্রে দাবি করা হয়েছে, ভিটামিন ডি ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৫০ শতাংশ কমিয়ে দেয়।

এবার বুঝতে পারছেন তো সকাল সকাল কাঁচা ডিমের কুসুম খাওয়া শরীরের জন্য  কতটা জরুরি।  









প্রোটিন এবং মিনারেল:

একটা কাঁচা ডিমের কুসুমে প্রায় ৬ গ্রাম প্রোটিন থাকে। এই পরিমাণ প্রোটিন শরীরে প্রবেশ করা মাত্র কোষেদের ক্ষত দূর করে তাদের পুনরায় চাঙ্গা করে তোলে। সেই সঙ্গে নতুন কোষেদের জন্ম যাতে ঠিক মত হয়, সেদিকে খেয়াল রাখে। প্রোটিন ছাড়াও ডিমের কুসুমে রয়েছে ৬৬ এম জি ফসফরাস এবং ২২ এম ডি ক্যালসিয়াম। এই দুটি উপাদান আমাদের শরীরের মধ্যে থাকা ৩৭ ট্রিলিয়ান কোষেদের কর্মক্ষমতা বাড়াতে এবং হাড়কে শক্তপোক্ত করতে দারুন কাজে আসে।  

হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়:


একাধক গবেষণায় দেখা গেছে, ডিমের অন্দরে উপস্থিত ফসপোলিপিড নামক একটি উপাদান মেটাবলিজ বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে বদ-হজম এবং গ্যাস-অম্বলের সমস্যা কমাতেও সাহায্য করে।শিশুদের এবং বড় যারা গ্যাস এর সমস্যায় ভোগেন তাদের জন্য এটি খুবই উপকারী কেননা এতে হজম শক্তি বারায়।

  

ব্রেন পাওয়ার বাড়ায়:


ডিমের শরীরে উপস্থিত ফসপোলিপিড যে শুধু হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়, তা নয়। সেই সঙ্গে ব্রেন পাওয়ার বাড়িয়ে অ্যালঝাইমার-এর মতো রোগের আক্রমণ থেকে বাঁচাতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়।তাই ছোট  বয়স থেকে কাঁচা ডিম এর কুসুম খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। এতে শিশুরমানসিক বুদ্ধি বিকাশে সাহায্য করবে। 






এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ১

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ২

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৩

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৪